বিবিধ লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান
বিবিধ লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান

মঙ্গলবার, ১৩ আগস্ট, ২০১৯

এসকর্ট সার্ভিস কী? -এআরএইচ

এসকর্ট কী?

যৌনতা বা যৌনকর্মী এই শব্দটির সাথে সবাই পরিচিত। এই শব্দ শুনলেই আমরা নিচু শ্রেণির কিছু খারাপ লোক বুঝি। কিন্তু বর্তমানে এই বাংলার কিছু ইংরেজি প্রতিশব্দ ব্যবহার করছে। আর এই শব্দ ব্যবহার করছে সমাজের উচু শ্রেণির মানুষ। এসকর্ট ইংরেজি শব্দ। যার অর্থ সহচর। সাম্প্রতিক সময়ে এই এসকর্ট সার্ভিস এর নামে ঢাকা শহরের ভিভিন্ন এলাকাতে জমে ওঠেছে রমরমা দেহ ব্যবসা,আর এই ব্যবসায় যুক্ত হয়েছেন অনেক নামী তারকারা। শুধু এরাই নয় এর সাথে জড়িত বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের উচ্চ শিক্ষিত তরুনী। যারা বিভিন্ন প্লাটফর্মের মাধ্যমে খদ্দের জোগাড় করে। এদের চাহিদাও প্রচুর। সাধারণত তারা ধনীদের দিকেই নজর দেয় আর এদের টাকার চাহিদাও প্রচুর। এক রাতে কারো সাথে থাকলে গুণতে হয় ৬ থেকে ২০ হাজার টাকা। যেহেতু এটা উচ্চ শ্রেণীর লোকজন বেশি করে তাই সাধারণ লোকজন কম জানতে পারে।

এসকর্ট সার্ভিসে শুরু মেয়েরাই নয় এই দেহব্যবসার সাথে জড়িত পুরুষরাও। এদের বয়স সাধারণত ২৫ থেকে ৩৫ হয়। এটা দেখতে সুদর্শন। এরা ব্যবসায়ী উচ্চ বিলাসী নারীদের বিভিন্ন মাধ্যমে যোগাযোগ করে তাদের ফ্ল্যাটে চলে যায় রাত শেষে ১০ থেকে ১২ হাজার টাকা নিয়ে আসে। এরা বেশিরভাগ ভুয়া ফেসবুক একাউন্ট করে মেয়েদের আকর্ষণ করে নানা পোষ্টর মাধ্যমে এরপর যোগাযোগ হয় হুয়াটর্সআপে। পরে নির্দিষ্ট জায়গায় দেখা করতে বলা হয় এবং সেখান থেকেই রাত্রি যাপনের জায়গায়। একসময় নিছক টাকার জন্য করা হলেও এখন অনেক বিলাসীতার জন্য এসব অন্ধকার রাস্তায় চলাফেরা করে। সাম্প্রতিক সময়ে এসকর্ট সদস্য পুলিশের হাতে ধরা পরায় এসব তথ্য জানা গেছে।
সূত্রঃ অনলাইন 

রবিবার, ৬ জানুয়ারি, ২০১৯

পাকস্থলী বা অন্ত্র নিজে হজম হয় না কেন? -এআরএইচ

পাকস্থলী বা অন্ত্র নিজে হজম হয় না কেন? 
Why the stomach or intestine itself is not being digested?

পাকস্থলী এবং অগ্নাশয়ের অসংখ্য সোনালি গ্রন্থি প্রোটিয়েজ (protease - আমিষ খাদ্য হজমের এনজাইমকে প্রোটিয়েজ বলে। যেমনঃ পেপসিন, ট্রিপসিন এক একটি প্রোটিয়েজ) এনজাইম তৈরি করে। প্রোটিয়েজ দ্বারা পাকস্থলী বা অন্ত্রের লুমেনে আমিষ পরিপাক হলেও এ সকল প্রোটিয়েজ সৃষ্টিকারী গ্রন্থিকোষগুলো প্রোটিন দ্বারা গঠিত হওয়া সত্ত্বেও কয়েকটি কারণে নিজেরা পরিপাক হয় না।
প্রথমতঃ প্রোটিয়েজ গুলো নিষ্ক্রিয় অবস্থায় ক্ষারিত হয়। যেমনঃ পাকস্থলী প্রাচীরের গ্যাস্ট্রিক গ্রন্থি থেকে পেপসিন নিষ্ক্রিয় পেপসিনোজেন হিসেবে ক্ষারিত হয় এবং HCl এসিডের সংস্পর্শে না আসা পর্যন্ত সক্রিয় হয় না। একইভাবে অগ্নাশয়ের পরিপাক গ্রন্থি, নিষ্ক্রিয় অবস্থায় এই ট্রিপসিনোজেন হিসেবে ক্ষরিত হয়ে ড্যুওডেনাম প্রাচীর এন্টারোকাইনেজ এনজাইম দ্বারা সক্রিয় হয়। ফলে নিষ্ক্রিয় অবস্থায় এই এনজাইমগুলো পাকস্থলী বা অন্ত্র প্রাচীরকে হজম করতে পারে না। পাকস্থলী প্রতি মিনিটে প্রায় পাঁচ লক্ষ কোষ মোচন করে এবং প্রতি তিন দিনে সম্পূর্ণভাবে নবায়িত হয়।
দ্বিতীয়তঃ পাকস্থলী, ক্ষুদ্রান্ত্রে প্রাচীরের কিছু কোষ ও লালাগ্রন্থি মিউকাস উৎপন্ন করে। মিউসিন নামক একটি প্রোটিন মিউকাসের প্রধান উপাদান। পাকস্থলী ও অন্ত্র প্রাচীরের ভিতরের গাত্র সব সময় মিউকাসের গাঢ় আবরণ দ্বারা আবৃত থাকে। মিউকাসের খ আবরণের জন্যই আমিষ হজমকারী এনজাইমসমূহ পাকস্থলী বা অন্ত্র প্রাচীর কোষের সংস্পর্শে আসতে পারে না বলে এরা এই সকল অঙ্গের কোনো  ক্ষতিও করতে পারে না।
তৃতীয়তঃ কোষে কোন এন্টিএনজাইম থাকার সম্ভাবনা আছে যার জন্য এনজাইমগুলো পাকস্থলী বা অন্ত্র প্রাচীরে অবস্থিত সজীব কোষের উপর ক্রিয়া করতে পারে না।
চতুর্থতঃ পাকস্থলী কোষ প্রোস্ট্রাগ্লান্ডিনের উচ্চ মাত্রা ধারণ করে যা পাকস্থলী দ্বারা সৃষ্ট এসিড - নিউ্রেলাইজিং কার্বোহাইড্রেট এর সাথে সম্পর্কযুক্ত বলে মনে করা হয়।
কখনো কখনো গ্যাস্ট্রিক মিউকোসার এই সংরক্ষণ মূলক মিউকাস আবরণ পেপসিন এনজাইম এবং হাইড্রোক্লোরিক এসিডের কার্যকারিতায় কোথাও কোথাও নষ্ট হয়ে যায়। এর সাথে Helicobacter pylori  নামক ব্যাকটেরিয়ার সংক্রমণ ঘটে মাএই ব্যাকটেরিয়া যে টক্সিন ক্ষরণ করে তা পাকস্র অন্তর্গাত্রে প্রদাহ সৃষ্টি করে। এই প্রদাহই হলো আলসার বা ক্ষত সৃষ্টি করে। এই ধরনের আলসার বা ক্ষতকে পেপটিক আলসার বলে। আলসার পাকস্থলীতে হলে গ্যাস্ট্রিক আলসার এবং ড্যুওডেনামে হলে ড্যুওডেনাল আলসার বলা হয়।

মঙ্গলবার, ৩০ অক্টোবর, ২০১৮

ইচ্ছেমতো টাকা ছাপালেই কী বড়লোক হওয়া যায়? - এআরএইচ

ইচ্ছেমতো টাকা ছাপালেই কী বড়লোক হওয়া যায়?

ইচ্ছেমতো টাকা ছাপালেই বড়লোক হওয়া যায় না। অনেকেই মনে করতে পারেন ইচ্ছেমতো টাকা ছাপালে কেউ ধনী হয়ে যায় না কেন? এ বিষয়টি নিয়ে চিন্তাভাবনা করেননি এমন মানুষ কম নয়। তবে বিষয়টি এত সহজ নয়।

এর পেছনে রয়েছে অর্থনীতির জটিল হিসাব-নিকাশ।
ধরুন, গরিব একটি দেশ ইচ্ছেমতো টাকা ছাপিয়ে বিশাল সেতু নির্মাণ, বৈদেশিক ঋণ পরিশোধ ও অন্যান্য উন্নয়ন কাজ করে দেশের চেহারা পাল্টে ফেলল। এতে  কোনো সমস্যা আছে কি? এ প্রশ্নের উত্তরে বাস্তব উদাহরণ হলো জিম্বাবুয়ে। সে দেশটিতে এক কেজি চাল কিনতেও বস্তা ভরা টাকা নিয়ে যেতে হয়। কিন্তু কেন এই পরিস্থিতি? জিম্বাবুয়ের অর্থনীতির অবস্থা ভালো নয় বহু বছর ধরেই। তবে চূড়ান্তভাবে তা খারাপ হয় ২০০৮ সাল থেকে।

জিম্বাবুয়ের মুগাবে সরকার আর্থিক চাহিদা মেটাতে বিপুল পরিমাণ মুদ্রা ছাপানোর সিদ্ধান্ত নেন। অন্য সব অর্থনৈতিক সূত্রকেও এজন্য উপেক্ষা করা হয়। এরপর যা হওয়ার তাই হয়েছে।


প্রচুর টাকা আছে মানুষের হাতে। কিন্তু সে টাকা দিয়ে জিনিস পাওয়া যাচ্ছে সামান্যই। প্রতিদিনই বিপুল পরিমাণ মুদ্রাস্ফীতি ঘটছে দেশটিতে। এ হার এত বেশি দাঁড়ায় যে ২০০৮ সালে তা ১৫ লাখ শতাংশে পৌঁছায়। এরপর জিম্বাবুয়ে সরকার মুদ্রাই বাতিল করে দিতে বাধ্য হয়। তার বদলে এখন মার্কিন ডলার ও অন্যান্য বৈদেশিক মুদ্রায় লেনদেন করতে বাধ্য হয় জিম্বাবুয়ে।
কিন্তু বেশি টাকা ছাপলে এমন সমস্যা হয় কেন দেশের? কারণ দেশের মোট সম্পদের সঙ্গে মুদ্রা ছাপানো সঙ্গতিপূর্ণ হতে হয়। সম্পদের চেয়ে মুদ্রা বেশি ছাপলে দ্রব্যমূল্য বেড়ে যায়। ধরুন, ছোট একটি দেশের সম্পদ বলতে রয়েছে ১০টি কাঁঠাল। সেই দেশ বছরে ২০ টাকা প্রিন্ট করে। ধরুন প্রতিটি কাঁঠালের মূল্য দুই টাকা। তাহলে দেশটির মোট সম্পদ ও হাতে থাকা অর্থ সমান বা ভারসাম্যপূর্ণ হলো। পরের বছর দেশটি ৪০ টাকা প্রিন্ট করল। তবে সেই ১০টি কাঁঠালই সম্পদ হিসেবে পাওয়া গেল। যেহেতু দেশটিতে নতুন কোনো সম্পদ নেই তাই ১০টি কাঁঠালই সেই ৪০ টাকা কিনতে বরাদ্দ হলো। অর্থাৎ প্রতিটি কাঁঠালের দাম চার টাকা বা দ্বিগুণ হয়ে গেল- বেড়ে গেল দ্রব্যমূল্য। এভাবেই দেশের দ্রব্যমূল্য বেড়ে যাবে বাড়তি টাকা ছাপালে (যদিও ২০ টাকা ছাপালেই দ্রব্যমূল্য একই থাকত)। বাড়তি টাকা ছাপালে মানুষের ক্রয়ক্ষমতা কমে যায়। টাকার দামও কমে যায়। একে বলে মুদ্রাস্ফীতি।

দেশে যেন বাড়তি টাকা না থাকে সেজন্য টাকা ছাপানোর সঠিক পরিমাণ রীতিমতো গবেষণা করে নির্ধারণ করতে হয়। এ হিসাব ঠিকমতো করতে না পারলে মুদ্রাস্ফীতি বেড়ে যেতে পারে। আর তাই সঠিক মাত্রায় টাকা উৎপাদন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। ইচ্ছেমতো টাকা ছাপানোর তো প্রশ্নই আসে না।
সূত্রঃ.........

বৃহস্পতিবার, ৯ আগস্ট, ২০১৮

যেভাবে কমাতে পারেন আপনার বাসার বিদ্যুৎ বিল! -এআরএইচ

বিদ্যুৎ বিল কমানোর সাতটি উপায়

ঢাকা পাওয়ার ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানি লিমিটেড (ডিপিডিসির) নির্বাহী প্রকৌশলী মোঃ মহসিন আবদুল্লাহ বলেন, কিছু বিষয় খেয়াল রাখলে আবাসিক বিদ্যুৎ বিল কমিয়ে আনা সম্ভব।

১. সুইচ বন্ধ রাখা

ফ্যান, বাতি, টিভি, কম্পিউটার ব্যবহার না করলে সব সময় এগুলোর সুইচ বন্ধ করে রাখা।

অনেক সময় বাথরুম বা বারান্দার লাইট জ্বলে থাকে। সেটি যাতে না হয়, তা খেয়াল রাখা হলে বিদ্যুৎ বিল বেশ খানিকটা কমে আসে।


মেশিন বা ইস্ত্রি ব্যবহার না করলে প্লাগ খুলে রাখা উচিত। কম্পিউটার বা টিভি ব্যবহার না করলে স্লিপ মুডে বা বন্ধ করে রাখুন।

২. বিদ্যুৎ সাশ্রয়ী যন্ত্রপাতি ব্যবহার

প্রচলিত বাতির তুলনায় এনার্জি বাল্ব বা এলইডি বাতি ব্যবহার করা হলে বিদ্যুতের ব্যবহার অনেক কমে আসে। যেখানে প্রচলিত একটি বাতি একশো ওয়াট ব্যবহার করে, সেখানে একটি এনার্জি বাতি ব্যবহার করে মাত্র ২৫ ওয়াট।

প্রথমদিকে বাতির ক্রয় মূল্য বেশি হলেও এগুলো দীর্ঘদিন সেবা দেয় এবং বিলের হিসাবে অনেক বেশি সাশ্রয়ী হয়।

এছাড়াও এখন ইনভার্টারযুক্ত ফ্রিজ, এসি, ওয়াশিং মেশিন পাওয়া যায়। এসব যন্ত্রপাতি ব্যবহার করলে বিদ্যুৎ বিল দুই তৃতীয়াংশ কমিয়ে আনা সম্ভব।

৩. এসির নিয়ন্ত্রিত ব্যবহার

বাসাবাড়িতে এসি ব্যবহার এখন অনেক বেশি নিয়মিত ঘটনা। কিন্তু নিয়ন্ত্রিতভাবে এসি ব্যবহার করা গেলে এর বিল কমিয়ে আনা সম্ভব।

এসির তাপমাত্রা সবসময় ২৫ ডিগ্রি সেলসিয়াসে রাখতে হবে। নির্দিষ্ট মাত্রায় ঠাণ্ডা হয়ে যাওয়ার পর এসি বন্ধ করে ফ্যান চালানো যেতে পারে।

রাতে টাইমার দিয়ে রাখা ভালো, যাতে নির্দিষ্ট মাত্রায় ঠাণ্ডা হওয়ার পর এসি আপনা আপনি বন্ধ হয়ে যায়।

৪. মানসম্মত তার ব্যবহার

বিদ্যুতের সংযোগ ও তারের ওপর বিদ্যুতের বিল অনেক সময় নির্ভর করে। খারাপ মানের তার হলে, সংযোগ দুর্বল বা নড়বড়ে হলে সেটি লো ভোল্টেজের সৃষ্টি করে, ফলে বিলও বেড়ে যায়।

বহুতল ভবনের সাব-স্টেশন পুরাতন হলে সেটি বেশি বিলের কারণ হতে পারে।

বছরে অন্তত একবার এসব যন্ত্রপাতি পরীক্ষা করতে হবে। বাসার এসি ও ফ্রিজের ফিল্টার নিয়মিত সময় পরপর পরিষ্কার করানো হলে সেটি কম বিদ্যুৎ ব্যবহার করবে।

৫. বিকল্প যন্ত্রপাতির ব্যবহার

বাসায় রান্না করা বা খাবার গরম করার ক্ষেত্রে মাইক্রো ওভেন ব্যবহার না করে চুলা ব্যবহার করতে পারেন। স্লো কুকার বা টোস্টার ব্যবহার করা যায়।

মাইক্রো ওভেনে ডিফ্রস্ট না করে পানিতে রেখে খাবারের বরফ ছাড়িয়ে নেয়া যেতে পারে।

ওয়াশিং মেশিনে গরম পানির সেটিং ব্যবহার না করলে বিদ্যুৎ বিল কমে আসবে।

৬. বিদ্যুতের সীমিত ধাপের মধ্যে থাকা

বিদ্যুতের ব্যবহার অনুযায়ী, একেকটি ধাপে একেক রকম বিল আসে। যেমন ডিপিডিসি বা ডেসকোর ট্যারিফ অনুসারে, কারো যদি বিদ্যুতের ব্যবহার ৭৫ ইউনিটের মধ্যে সীমিত থাকে, তাহলে বিল আসবে প্রতি ইউনিট ৪ টাকা হারে। কিন্তু ৭৬ থেকে ২০০ ইউনিট পর্যন্ত বিল আসবে ৪.৪৫ টাকা হারে।

তৃতীয় ধাপ ২০১ থেকে ৩০০ ইউনিট পর্যন্ত। সেক্ষেত্রে বিল আসবে ৫.৭০ টাকা হারে।

৩০১ ইউনিট থেকে ৪০০ ইউনিট পর্যন্ত বিল আসবে প্রতি ইউনিট ৬.০২ টাকা হারে। ৪০১ থেকে ৬০০ ইউনিট পর্যন্ত বিলের হার ৯ টাকা ৩০ পয়সা। এর বেশি হলে ইউনিট প্রতি বিল হবে ১০ টাকা ৭০ পয়সা।

অর্থাৎ বিদ্যুতের ব্যবহার কম ধাপের মধ্যে সীমিত রাখতে পারলে বিলও কম আসবে।

৭. প্রাকৃতিক শক্তির ব্যবহার

এখন বহুতল ভবনে সৌর বিদ্যুৎ ব্যবহার বাধ্যতামূলক করেছে বিদ্যুৎ বিতরণকারী সংস্থাগুলো।

যেখানে বিদ্যুতের ঘাটতি রয়েছে বা বেশি লোডশেডিং হয়, তারাও সৌর বিদ্যুৎ ব্যবহার করতে পারেন।

পাশাপাশি দিনের বেলায় ঘরের ভেতর বাতি না জ্বালিয়ে সূর্যের আলোর সুবিধা নেয়ার প্রবণতা তৈরি করা ভালো। সেটি আবাসিক বিদ্যুতের ব্যবহার অনেকটা কমিয়ে দিতে পারে।

সূত্রঃ বিবিসি বাংলা

বৈশিষ্ট্যযুক্ত পোস্ট

আলেমের মর্যাদা নিয়ে হাদিস - এআরএইচ

১. হাদীস: عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ: "مَنْ سَلَكَ طَرِيقًا يَلْتَمِسُ فِيهِ ...