কলাম লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান
কলাম লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান

শুক্রবার, ২১ ডিসেম্বর, ২০১৮

দেশের আইন কেন এতো বৈষম্যমূলক? -এআরএইচ

দেশের আইন কেন এতো বৈষম্যমূলক? -এআরএইচ

সংসদীয় গণতন্ত্র বলতে বুঝি এমন একটি আইন ব্যবস্থা যে, দেশের (নির্দিষ্ট এলাকার) মানুষ তাদের প্রতিনিধি হিসেবে একজন ব্যক্তিকে সংসদে পাঠাবে। আর তিনি মহান সংসদে দেশের কল্যাণে, মানুষের কল্যাণে আইন প্রণয়ন করবেন। আমাদের দেশের সাংসদ মানে আমরা বুঝি রাস্তা -ঘাট, অবকাঠামো উন্নয়ন ইত্যাদি। এসব কাজ যদি সাংসদদের হয় তবে সিটি কর্পোরেশন, পৌরসভা, জেলা পরিষদ, উপজেলা পরিষদ, ইউনিয়ন পরিষদ এসবের কাজ কী?

পাঠক! আগামী ৩০ ডিসেম্বর একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। ১৯৯০ সালের পর এটাই প্রথম কোন দলীয় সরকারের অধীনে অংশগ্রহণমূলক নির্বাচন হচ্ছে। তবে কতটা অবাধ, নিরপেক্ষ নির্বাচন হবে তা নিয়ে জনমনে যথেষ্ট প্রশ্ন রয়েছে। তবে আমি আশাবাদী সরকার শেষমেষ একটি অবাধ, নিরপেক্ষ নির্বাচন করার ব্যাপারে সব রকম সহযোগিতা করবে।

ভোটের আর মাত্র কয়েকদিন বাকি। নিবন্ধিত দলগুলো তাদের মনোনিত প্রার্থী দিয়েছেন। প্রার্থীরা তাদের নিজ নিজ এলাকায় গণসংযোগেও নেমেছেন। নির্বাচন কমিশনের গণপ্রতিনিধিত্ব আইনে বলা হয়েছে -কোন ব্যক্তি যদি লাভজনক পদে থাকে তবে তিনি নির্বাচনে অংশগ্রহণ করতে পারবেন না। আমি এটাকে স্বাগত জানাই। তবে একটি কথা হলো একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন এই আইনের সাথে কতটা সাংঘর্ষিক?

পাঠক! লক্ষ্য করুন, নির্বাচনে সংসদ বহাল রয়েছে অর্থাৎ সকল সাংসদ তারা তাদের লাভজনক পদে বহাল রয়েছেন। এখন লাভজনক পদে থেকে তারা কিভাবে নির্বাচন করছেন? পাঠক মনে এটি আমার প্রশ্ন।
যদি সমান সুযোগ -সুবিধার কথা বলি তাহলে সাংসদরা যদি তারা তাদের পদে থেকে নির্বাচন করতে পারে তবে সিটি কর্পোরেশন মেয়র, পৌর মেয়র, জেলা, উপজেলা, ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যানদের নির্বাচনে অংশগ্রহণ করার সুযোগ দেয়া উচিত।

.
সম্মানিত পাঠক মহল! আপনারা ইতিমধ্যে জেনেছেন গাইবান্ধা -৩ এর ঐক্যফ্রন্ট প্রার্থী ও জাতীয় পার্টির (কাজী জাফর) ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান ড. ফজলে রাব্বী ইন্তিকাল করছেন। তার মৃত্যুতে ইসি সচিব জানিয়েছেন আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। অর্থাৎ আসনটি ৩০ ডিসেম্বরের পর পুনঃতফসিল করা হবে।

পাঠক লক্ষ্য করুন, তফসিল ঘোষণার পর মনোনয়ন জমা দেয়া ও বৈধ হবার পর যদি কোন প্রার্থী মারা যায় তবে সে আসনের ভোট গ্রহণ স্থগিত থাকবে এবং পরে তা পুনঃতফসিল করা হবে। এখন প্রশ্ন হলো ইসি কর্তৃক মনোনয়ন বৈধ হবার পর নির্বাচনের মাত্র কয়েকদিন আগে হাইকোর্ট কর্তৃক যাদের মনোনয়ন বাতিল হয়েছে তাদের নির্বাচনী এলাকায় কেন ভোট গ্রহণ স্থগিত হবে না? কনে পনুঃতফসিল হবে না? পাঠক মনে এটি আমার প্রশ্ন।

পাঠক! আরও উদাহরণ দেয়া যাবে যেখানে আমার মনে হয় কেন যেন আইন বৈষম্যমূলক। আইন সংশোধন করা উচিত সকলের সমান সুযোগ নিশ্চিত করতে।

(লেখাটি কাউকে উদ্দেশ্যে, কাউকে সুবিধা দিতে /নিতে লেখা হয়নি।)

মঙ্গলবার, ১২ জুন, ২০১৮

রোজার পরিশুদ্ধতার জন্য সদকাতুল ফিতর।

রোজার পরিশুদ্ধতার জন্য সদকাতুল ফিতর।


পবিত্র কুরআনুল কারিমে আল্লাহ রাব্বুল আলামিন বলেছেন "হে ঈমানদারগণ তোমাদের উপর রোযা ফরজ করা হয়েছে যেমনটি ফরজ করা হয়েছিল তোমাদের পূর্ববর্তীদের উপরে যেন তোমরা তাকওয়া অর্জন করতে পার"। (বাকারা -১৮৩) 
মাহে রমাদান আমাদের মাঝে হাজির হয় রহমত, মাগফিরাত আর নাজাতের সওগাত নিয়ে। রমজানের রোজার ফজিলত সম্পর্কে আল্লাহ বলেছেন "নিশ্চিয়ই রোযা আমার (আল্লাহর) জন্য আর আমিই (আল্লাহ) এর প্রতিদান দেব। (বুখারি ও মুসলিম, মেশকাতুল মাসাবিহ - কিতাবুস সাওম)

রমজানের রোযা রাখতে গিয়ে অনেক সময় অনেক ভুলত্রুটি হয়ে যায় যার বিশুদ্ধতার জন্য আল্লাহ তায়ালা তার প্রিয় বান্দাদের জন্য ফিতরার ব্যবস্থা করছেন এর মাধ্যমে যেন রোযাকে পরিশুদ্ধ করা যায়। 

সদকাতুল ফিতর বা ফিতরাকে জাকাতুল ফিতরও বলা হয় ইসলামের পরিভাষায়। 
ফিতর / ফাতুর হলো এমন খাবার যার দ্বারা রোজা ভঙ্গ করা হয়। বা এভাবে বলা যেতে পারে যে খাবার দিয়ে রোযা ভাঙা হয় তাকে ফিতর বা ফাতুর বলে। (মুযাম আল ওয়াসিত)

সদকাতুল ফিতর একটি আর্থিক ইবাদত। রমজানের রোযার ভুলত্রুটিকে পরিশুদ্ধ করার জন্য আল্লাহর হাবিব সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এই বিধান দিয়েছেন। 

ফিতরা আদায় করা ওয়াজিব। হযরত আবদুল্লাহ ইবনে ওমর রাদিআল্লাহু তায়ালা আনহু হতে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম ফিতরা বাধ্যতামূলক করেছেন। যার পরিমাণ হবে এক সা খেজুর বা এক সা জব। ছোট - বড়, স্বাধীন - পরাধীন সকলের জন্য এটি ওয়াজিব। (বুখারি)

যাদের উপর ফিতরা ওয়াজিবঃ
যে আযাদ মুসলমান, এমন সম্পদের মালিক যার দ্বারা তার জরুরি প্রয়োজন সম্পন্ন করে কিছু উদ্বৃত্ত থাকে। (এর মধ্যে সম্পদ বৃদ্বিপ্রাপ্ত হওয়ার শর্ত নেই) তার উপর ফিতরা ওয়াজিব হয়। (কাজিখান) 
ফিতরা ঈদুল ফিতরের দিন ফজর উদয় হওয়ার পর ওয়াজিব হয়। কোন ব্যক্তি যদি ফজরের আগে মারা যায় তাহলে তার ফিতরা ওয়াজিব হবে না আবার ফজরের পর কোন শিশু জন্ম গ্রহণ করলে বা কেউ মুসলিম হলে তার উপর ফিতরা ওয়াজিব হবে না। কিন্তু ফজের পরে গেলে বা ফজরের আগে জন্ম গ্রহণ বা ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করলে তার উপর ফিতরা ওয়াজিব হবে। কেউ ফজরের আগে ধনী হলে তার উপর ফিতরা ওয়াজিব হবে আর যদি ফজরের পূর্বে গরিব হয় তাহলে তার উপর ফিতরা ওয়াজিব হবে না। (মুহিতে সরুখি) ঈদের দিন সকালে নামাজের পূর্বে ফিতরা আদায় করা মুস্তাহাব আগে আদায় করলেও জায়েজ হবে।

ফিতরার পরিমাণঃ 
ফিতরার পরিমাণ সম্পর্কে শরার দুটি মত পাওয়া যায়। ১. এক সা ৩. অর্ধ সা বা নিসফে সা
এক সা = সোয়া তিন কেজির কিছু বেশি বা ৩ কেজি ২৭১ গ্রাম।
নিসফে সা = দেড় কেজির কিছু বেশি বা ১ কেজি ৬৩৬ গ্রাম। (আওজানে শরিয়্যাহ) 
খেজুর, কিশমিশ, পনির জব দিয়ে আদায় করলে ১সা আর গম দিয়ে আদায় করলে অর্ধ সা। 

যা দিয়ে ফিতরা আদায় করতে হয়ঃ 
চার প্রকার জিনিস দিয়ে ফিতরা আদায় করা ওয়াজিব। ১. যব ২. গম ৩. খেজুর ৪. কিসমিস (শরহে তাহাবি) তবে এগুলো সমমূল্যে দিয়ে ফিতরা আদায় করা যায়েজ। (আলমগিরি)
রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের সময় এই চার জিনিস দ্বারা সদকায়ে ফিতর আদায় করা হত। হযরত আবু সাঈদ খুদুরি রাদিআল্লাহু তায়ালা আনহু হতে বর্ণিত, তিনি বলেন আমাদের সময় ঈদের দিন এক সা খাদ্য দ্বারা সদাকা আদায় করতাম। আর তখন আমাদের খাদ্যও ছিল জব, কিশমিশ, খেজুর ও পনির (বুখারি ও মুসলিম) মুয়াবিয়া রাদিআল্লাহু তায়ালা আনহুর খিলাফতের সময়ে অনেকে গম দুয়ে ফিতরা আদায় করতেন। (বুখারি ও মুসলিম) 

ওপরের যে কোনো একটিকে ধরে তার মূল্য দিয়ে ফিতরা আদায় করা যায়। যেহেতু ফিতরা আদায় করা ওয়াজিব তাই ন্যায্য মূল্য দিয়ে আরও কিছু বেশি দিয়ে নফল আদায় করা উচিত।

যাদেরকে সদাকা দিবেঃ
১. গরিব। গরিব সেই ব্যক্তি, যার নিকট কিছু মাল আছে., কিন্তু নিসাব পরিমাণের থেকে কম বা থাকলেও তা বৃদ্ধি পাবার সম্ভাবনা নেই বা তার প্রয়োজনের থেকে অতিরিক্ত নেই এমন লোককে গরিব হিসেবে গন্য করা যায়। (ফতহুল কাদির) মূর্খ্য গরিবকে সদাকা দেয়ার থেকে জ্ঞানী গরিবকে সদাকা দেয় উত্তম।

২. মিসকিন। মিসকিন সেই ব্যক্তি যার কাজে খাওয়া পরার জন্য কিছুই নেই বরং লোকের দ্বারে দ্বারে ভিক্ষা করে এমন ব্যক্তি। (ফতহুল কাদির) 

৩. ইমাম কর্তৃক যে ব্যক্তি সদাকা আদায়কারী হিসেবে নিয়োগ হয়েছে। এই ব্যক্তিকে আমেল বলা হয়। আমেল ব্যক্তি সদাকা পেতে পারে। (কাফি)

৪. গোলাম আযাদ করে দেয়া। যে গোলাম মুকাতিব আছে, তাকে আযাদ করতে সাহায্য করবে। (মুহিতে সরুখি) মুকাতিব ধনী হলেও জায়েজ।

৫. ঋণগ্রস্ত ব্যক্তির ঋণ এরুপ যে তার ঋণের চেয়ে বেশি মাল নেই বা এত ঋণ যে সে পরিশোধ করতে পারে না (তাবিয়িন)

৬. মুসাফির। এমন মুসাফির যে নিজের সম্পদ থেকে দূরে অবস্থান করছে।

৭. ইসলামের প্রতি আকৃষ্ট করে এমন ব্যক্তি। ইসলামের প্রতি আকৃষ্ট হয় বা এমন অনিষ্টকারী কাফেরের থেকে. রক্ষা পাবার জন্য সদাকা দেয়া যায়।

৮. আল্লাহর রাস্তায়।

শনিবার, ১৯ আগস্ট, ২০১৭

আগষ্ট চলে যাবে সুন্নি জামাতের শোক যাবে না। -এআরএইচ

আগষ্ট চলে যাবে সুন্নি জামাতের শোক যাবে না।


২০১৪ সালের ১৯ তারিখ মঙ্গলবার দুপুরে আমি ফারুকী হুজুরকে ফোন করি ওপাশ থেকে বলা হলো হুজুর দেশের বাইরে আছেন আগামী সপ্তাহে আসবেন। কী প্রয়োজন জানতে চাইলে আমি বললাম হুজুরের কাছে মাহফিলের দাওয়াত নিয়ে যাব সেইজন্যই ফোন করেছিলাম। ওপাশ থেকে আমাকে হুজুরের বাসার ঠিকানা দেয়া হলো। এরআগে একটু বলে রাখি আমরা কয়েকজন যুবক মিলে আমাদের ঐতিহ্যবাহী 'মেহেদীবাগ' মাঠে মাহফিল করার পরিকল্পনা করেছিলাম। যার প্রধান অতিথি থাকবেন শহীদ আল্লামা নরুল ইসলাম ফারুকী (রঃ)। আমাদের হজুর আসার সাথেসাথেই হুজুরের বাসায় যাওয়ার কথা দাওয়াতের পয়গাম নিয়ে কিন্তু কমিটির সকল কাজ সমাধা না হবার কারণে আমরা যেতে পারলাম না।

২০১৪ সালের ২৭ আগষ্ট বুধবার প্রতিদিনের মতই রাতে পড়তেছিলাম। সাধারণ তখন রাতে ১১:৩০ পর্যন্ত পড়তাম। যতটুকু মনে পড়ে সেদিন পড়ার টেবিল হতে একটু আগেই উঠে গিয়েছিলাম। সামনে যেহেতু পরীক্ষা সেহেতু খুব একটা টিভি দেখতাম না। আর তখন আমি ইন্টারনেট ব্যাবহার করতাম না। ২৭ তারিখ রাতে যখন পড়ার টেবিল ছেড়ে শোয়ার জন্য প্রস্তুতি নিচ্ছি হঠাৎ করে ফোনটা বেজে উঠল। ফোন ধরতেই ওপাশ থেকে বলা হলো ফারুকী খুন হয়েছেন। আমি স্তব্ধ হয়ে গেলাম। কিভাবে আধ ঘন্টা কেটে গেছে বলতে পারব না। এরপর শুধু বলছি আল্লাহ যেই ফারুকীর কথা বলল সে যেন আমি যাকে চিনি সে না হয় কারণ খবর দাতা ফারুকি হুজুরকে তখন ভাল করে চিনে না। সকালে উঠেই টিভি চালু করলাম মা বলল কিরে এত সকালে ঘুম থেকে উঠেই টিভি চালু করছিস? আমি কিছু বললাম না। টিভিতে স্ক্রলে ভেসে আসছিল ব্রেকিং নিউজ "জনপ্রিয় মিডিয়া ব্যক্তিত্ব নুরুল ইসলাম ফারুকীকে নিজ বাসায় গলা কেটে হত্যা করা হয়েছে"। আরও ভেঙে পরলাম মনে হল সব শেষ হয়ে গেল। মনে হচ্ছিল আমার আপন কিংবা  আমার শরীরের একটি অংশ চলে গেল। সামাজিকতা পারিবারিকতা সব চিন্তা করে কাদতেঁ পারছিলাম না কিন্তু ভেতরটা যেন ক্ষতবিক্ষত হয়ে যাচ্ছিল। 

তিনি এমন একজন মানুষ ছিলেন যে কিনা সকল শ্রেণীর মানুষের কাছে সম্মানিত থাকতেন। রাজনৈতিক পরিচয় থাকলেও তিনি সকল লোকের নিকট গ্রহণযোগ্য ছিলেন। মিডিয়ার সুবাদে প্রতিটা মানুষের অন্তরে ছিলেন ফারুকী (রঃ)। ফারুকী হত্যার ৩ বছর হয়েগেলেও আজও তার হত্যার বিচার হয় নাই। সরকারের কাছে আবেদন তাকে যারা হত্যা করেছে তাদের গ্রেফতার করে বিচারের সম্মুখীন করুন। 

হত্যাকারীরা জানে না তারা এক ফারুকীকে হত্যা করেছে কিন্তু লক্ষ্য ফারুকী আজ বাংলার জমিনে। তারা ভুলে গেছে আল্লাহ বলেছেন "আর যারা আল্লাহর রাস্তায় জীবন দেয় তাদের তোমরা মৃত বলো না তারা জীবিত কিন্তু তারা উপলব্ধি করতে পারে না। আল - কুরআন।

সুতরাং ফারুকী জীবিত তিনি আছে প্রতিটা মানুষের অন্তরে তিনি ছিলেন তিনি থাকবেন। 

বৈশিষ্ট্যযুক্ত পোস্ট

আলেমের মর্যাদা নিয়ে হাদিস - এআরএইচ

১. হাদীস: عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ: "مَنْ سَلَكَ طَرِيقًا يَلْتَمِسُ فِيهِ ...